প্রকাশক ও চেয়ারম্যান- মোঃ রেজাউল করিম, মোবা- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮,০১৮৩৫-৪১০১২৫, বার্তা সম্পাদক- সেলিম উদ্দিন, মোবা- ০১৮১৮-১২৫৪০০, পৃষ্ঠপোষক-সোহেল জাহান চৌধুরী emil: endcox@gmail.com

মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, রামু,
এক দিকে ভয়াবহ গরম অন্যদিকে বিদ্যুতের গণ গণ লোডশেডিং এ অতিষ্ঠ রামুর সর্বস্তরের জনসাধারণ। সচেতন মহল জানান- যে সময় বিদ্যুৎ প্রয়োজন সেই সময়ে বিদ্যুৎ থাকে না। বিদ্যুতের এই ভেলকিবাজী থেকে রেহায় পেতে জেনারেটর ও আইপিএস ব্যবহার করেও বিদ্যুতের সমস্যা থেকে মুক্তি পাচ্ছে না মানুষ। আরেকদিকে ডাকাত দলেরা সক্রিয় বিদ্যুৎ না থাকার দরুন। রাজারকুলের এক ভুক্তভোগী পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক জানান ও বাজী ইন কারন নয়, কারনত্তো আরো বেশী বালা বদদিন্না চেরাগ। এই কারেন বলি হইয়ানে মানুষের তো কোটি কোটি টিয়া আতাই লই যারগই। ওয়াপদা ভুক্তভোগী এক গ্রাহক জানান, বিদ্যুৎ টিক সময় ন পাইদ্দে ন পাইর। কিন্তু মাসে মাসে বিল টিকই দেয়া  পরের। সচেতন এক জন বিদ্যুৎ গ্রাহক জানান মাঠ পর্যায়ে যারা ইউনিট দেখতে আসে তাদের স্বজন প্রীতিতে অনেক সরল বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রতিনিয়ত ঠকে যাচ্ছে। আরেকদিকে মিটারের সাথে বিলের সাথে কোন মিল থাকেনা। এ ব্যাপারে অভিযোগ করলে আরো বলেন মিটার বদলিয়ে ফেলার কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে। বেশির ভাগ গ্রাহক অভিযোগকারীরা বলেন রামুর বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র এর অধিনে মাঠ পর্যায়ে মিটারের ইউনিট চেক করতে এসে স্বজন প্রীতি ও রহস্যজনক মিটারের মনগড়া বিল করে বলে জানান। রামুর ওয়াপদা অফিসের আওতায় রয়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি একাংশ সহ পুরো রামুতে হাজার হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক। পল্লী বিদ্যুতের আওতায় রামুর গ্রাম গঞ্জসহ জোয়ারিয়ানালা, রশিদনগর, ঈদগড়, মিঠাছড়ি, রাজারকুল, চাকমারকুল, সহ আরো অনেক গ্রামে পবিত্র রমজানে বিদ্যুতের ভেলকিবাজীর অন্ত নেই। উল্লেখ্য, মসজিদের ইমাম ও মুসল্লিরা জানান, জুমার দিন আযান ও নামাজের সময়  লোডশেডিং না করার জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.