প্রকাশক ও চেয়ারম্যান- মোঃ রেজাউল করিম, মোবা- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮,০১৮৩৫-৪১০১২৫, বার্তা সম্পাদক- সেলিম উদ্দিন, মোবা- ০১৮১৮-১২৫৪০০, পৃষ্ঠপোষক-সোহেল জাহান চৌধুরী emil: endcox@gmail.com

নিজস্ব সংবাদদাতা, পেকুয়াঃ
পেকুয়ার শীলখালীতে হৃত দরিদ্রের কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে বসতবাড়ির অঙ্গিনা ভরাট করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, গতকাল শীলখালী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের কর্মসৃজন প্রকল্পের নিধারিত শ্রমিক দিয়ে কাজ করার জন্যে বিভিন্ন এলাকার ঝূকিপূর্ণ বেড়িবাধও সংস্কার বিহীন সড়কের মেরামদ করার সিদ্ধান্ত হয়। এরেই প্রেক্ষিতে শীলখালী ইউনিয়নের ৫ ন ওয়ার্ডের মেম্বার জাফর শীলখালী মাঝেরঘোনা এলাকার মাওলানা নুরুল আলমের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কর্মসৃজন প্রকল্পের প্রায় ৬০ জন শ্রমিক দিয়ে ওই মৌলভীর নিমাণর্ধীন বসতবাড়ির অঙ্গিনা ভরাট করায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। প্রকল্প কর্মকর্তা কে ফাকি দিয়ে ওই মেম্বার সরকারী টাকা লুটপাট করছে বলে সাধারণ লোকজন অভিযোগ করেন। এমইউপি জাফর সরকারী নিয়মনীতি তোয়াক্কা না  করে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের বাধা উপেক্ষা করে মৌলভী নুরুল আলমের সাথে আতাত করে সরকারী কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে আঙ্গিনা ভরাট করছে। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত এমইউপি জাফরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন আপনি কি করতে পারবেন করেন। আমি কমসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে বসতবাড়ির আঙ্গিনা ভরাট করলে কার কি হয়। এই ব্যাপারে মাওলানা নুরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কমসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে জাফর মেম্বার নিজেই ভরাট করে দিচ্ছে বলে স্বীকার করেন। এই ব্যাপারে শীলখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হোছাইনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি শুনেছেন এব্যাপারে আপাতত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন এবং বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান। এই ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আবুল কালাম মিয়াজীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো জানেন না তদন্ত করে সত্যতা পেলে ওই এমইউপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নুর ই খাজা আলামীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি জানেন না বলে জানান। তিনি আরো বলেন, কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা নিয়ে অনিয়ম ও আত্মৎ কারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

cialis online 准看護婦求人